গণফোরামের সুপারিশে মনোনয়ন পাওয়া ফ্রন্টের দুই এমপির সংসদে যাওয়ার প্রশ্নে আগে সিদ্ধান্ত নেওয়ায় ঘটনায় ক্ষোভ আছে বিএনপিতে। তবে বয়োভারাক্রান্ত ড. কামাল হোসেনকে নিয়ে সাম্প্রতিককালে জোটের মধ্যে নতুন পরিস্থিতির উদ্ভব হয়েছে। তাঁর দল গণফোরামসহ ফ্রন্টভুক্ত বেশির ভাগ দলই মনে করছে, শারীরিকভাবে অসুস্থ ড. কামাল ফ্রন্টের বৈঠকে এখন কার্যকর ভূমিকা পালন করতে পারছেন না। নিজ দল গণফোরামের দলীয় ফোরামের বৈঠকে ড. কামাল হোসেন রাজনীতি থেকে অবসরে যাওয়ার কথা অনেকবার বলেছেন বলে জানা গেছে। দলটির শীর্ষ পর্যায়ের অন্তত দুজন নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, অবসর নেওয়ার কথা তিনি অনেক দিন ধরেই বলছেন। আর এটিও ঠিক, ৮৪ বছর বয়সের একজন নেতার নেতৃত্বে ঐক্যফ্রন্টকে কার্যকর করা সম্ভব নয়।

ড. কামাল হোসেন বলেন, ‘নেতৃত্ব ছেড়ে দেব কি না এখনই বলতে পারছি না। তবে কি করা হবে সেটি সবাইকে নিয়ে বসে ঠিক করব।’ বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের কখনো একক নেতৃত্ব ছিল না। ড. কামাল হোসেন একজন প্রবীণ রাজনীতিক হওয়ায় তাঁর সভাপতিত্বে বৈঠক হয়েছে। কিন্তু সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যৌথ নেতৃত্বে এবং ভবিষ্যতেও যৌথ নেতৃত্বেই চলবে।’ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘সবাইকে নিয়ে বৃহত্তর ঐক্য গঠন করতে পারলে জোটের কাঠামোও নতুন করা যাবে। আমরা বৃহত্তর ঐক্য গঠনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।’