নিম্ন মধ্যবিত্তের ছাত্র রাজনীতি

 

জুলফিকার আলী ভুট্টো
রাজনীতিতে আবেগের কোন স্থান নেই,এতে অভিমান ও মানায় না,রাজনীতিতে শেষ বলে কোন কথা নেই,রাজনীতিতে অবসর নামে কোন কথা নেয়,জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত রাজনীতির কোন শেষ নেয়,যা নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলেরা হাড়ে হাড়ে উপলব্দি করতে পারে। রাজনীতির শেষ ফলাফলটা কি, তা তারা ছাত্রজীবনের শেষ পর্যায়ে এসে বুঝতে পারে। আমি একজন নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান,আমি জানি আমার মতো হাজার হাজার নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান রাজনীতির সাথে জড়িত, আমি নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারের প্রতিনিধি হয়ে আমার বাস্তব অভিজ্ঞতা গুলো শেয়ার করতে যাচ্ছি,ভুল ত্রুটি হলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন!

নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলেদের জন্য রাজনীতি অাসেনি,ওদের পড়ালেখা শেষ করে জিবিকার প্রয়োজনে একদিন সব রাজনৈতিক ক্যারিয়ার ছেড়ে দিয়ে নেমে পড়তে হয় জীবিকার প্রয়োজনে,প্রতিভা থাকা সত্তেও একদিন সব ছেড়ে চলে যেতে হয় পরিবারের কথা চিন্তা করে, নিম্ন মধ্যবিত্ত সন্তানদের বিবেকটা বোধ হয় বেশি কাজ করে,বিবেকের তাড়নায় ওরা চাইলে সবকিছু করতে পারেনা, শুধু পারে সব মুখ বুজে সয্য করতে,নিম্ন মধ্যবিত্তের সন্তানরা যখন রাজনীতিকে ব্যবহার করে অর্থ উপার্জন করতে পারেনা তখন সমাজ বলে কি রাজনীতি করলা টাকা কামাইতে পারলানা,তাইলে রাজনীতি করে কি করলা,এ ভাল খারাপের মাঝখানে তাদের পড়ে থাকতে হয়, তাদের জীবনটা হয়ে পড়ে দুর্বিসহ সে ভাবতে থাকে শ্যম নাকি কুল রাখি, ভাবতে ভাবতে একদিন অতিষ্ট হয়ে রাজনীতিবিদ হওয়ার সপ্ন ছেড়ে দিয়ে হয়ে পড়ে চাকরিজীবি,গলা টিপে হত্যা করে তার স্বপ্নের,এভাবে একদিন পরিসমাপ্তি হয়ে যায় নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান এর মতন জুলফিকার আলী ভুট্টুর রাজনীতিক ক্যারিয়ারের আত্মকাহিনী!

##
লেখক:
সাবেক যুগ্ন -আহবায়ক, কুতুবদিয়া সরকারী কলেজ ছাত্রলীগ ,
উপবিজ্ঞান বিষয়ক সম্পাদক কুতুবদিয়া উপজেলা ছাত্রলীগ,
ছাত্রনেতা:চট্টগ্রাম কলেজ ছাত্রলীগ।