কালারমারছড়ায় আত্মসমর্পণ করবে কারা?

এম এ রহমান ছিদ্দিকী,মহেশখালী:

কালারমারছড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান তারেক বিন ওসমান শরীফের তথ্যঅনুসারে যারা সেফহোমে চলে এসেছে:

কালারমারছড়ার আলোচিত জিয়া বাহিনীর জিয়াউর রহমান জিয়া। তার বাহিনীর সদস্য মানিক, আয়াতুল্লাহ, আব্দুস শুক্কুর, সিরিপ মিয়া, একরাম, নাজেম উদ্দিন, আয়ুব আলী, সিরাদোল্লাহ, সাদ্দাম, বশিরসহ অন্তত ১৫ জন।কালামারছড়ার কালা জাহাঙ্গীর বাহিনীর প্রধান জাহাঙ্গীর আলম, সদস্য আবুলু, সোনা মিয়া, জমির উদ্দীনসহ প্রায় ১৫ জন। সোনাদিয়া দ্বীপ থেকে দস্যু জাহাঙ্গীর, সালাউদ্দিন সহ অনেকেই।

একই হোয়ানক নোনাছড়ি মোহাম্মদ উল্লাহর বাহিনীর প্রধান মোহাম্মদ আলী, সেকেন্ড ইন কমান্ড করিম ওরফে বদাইয়া, এরফান, রফিকসহ ১৫ জন। উত্তর নলবিলার মুজিব বাহিনীর প্রধান মজিবুর রহমান প্রকাশ শেখ মুজিব। হোয়ানকের শীর্ষ জলদস্যু ও অস্ত্র কারিগর আলোচিত আয়ুব আলী বাহিনীর প্রধান আয়ুব আলী। তার সঙ্গে চলে এসেছে তার বাহিনীর আরও ২০ সদস্য। কুতুবদিয়া উপজেলার লেমশীখালীর কালু বাহিনীর প্রধান মো. কালু প্রকাশ গুরা কালুসহ তার বাহিনীর ১৫/২০ জন।

প্রসঙ্গত গত ২০১৮ সালের ২০ অক্টোবর র‌্যাবের মাধ্যমে মহেশখালী-কুতুবদিয়ার ৪৩ জলদস্যু আত্মসমর্পণের পর থেকে ধরা ছোঁয়ার বাইরে থেকে যায় আরও অনেক শীর্ষ জলদস্যু ও অস্ত্র কারিগর। যার কারণে বিভিন্ন পাহাড় ও সাগর উপকূলে অভিযান জোরদার করে পুলিশ। অভিযানের মুখে আবারো আত্মসমর্পণ করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে মহেশখালী, কুতুবদিয়া, চকরিয়া ও পেকুয়ার অন্তত শতাধিক জলদস্যু ও অস্ত্র কারিগর। জানা গেছে, সেফহোমে আসা দস্যুদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। এসব দস্যুদের কারণে যুগ যুগ ধরে মহেশখালী-কুতুবদিয়াসহ পুরো উপকূলীয় এলাকায় অশান্তি লেগে থাকতো।এলাকাবাসী জানায় তাদের আত্মসমর্পণে এলাকাজুড়ে শান্তি বিরাজ করবে এবং নিরাপদে থাকতে পারবে।